Wednesday, 25 April 2018

বর্গাচাষ কিভাবে রদ হয়??











বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান||| চতুর্থ বা শেষ পর্বঃ ~


ভূমি সংস্কার আইনের বিভিন্ন ধারাতে বর্গা চাষ রদের ব্যাপারে উল্লেখ আছেঃ
  
   ১৭(১) ধারা:

ক) বর্গাদার কোন যুক্তিও সঙ্গত কারণ ছাড়া জমি চাষ না করে যদি ফেলে রাখেন বা জমির শ্রেণী পরিবর্তন করেন। তাহলে বর্গাদার হিসাবে তার নাম বাতিল হবে।

খ) বর্গাদার উৎপন্ন ফসলের ভাগ মালিককে যদি না দেন। তাহলেও বর্গাদার হিসাবে তার নাম বাতিল হবে।

গ) বর্গাদার জমি নিজে চাষ না করে যদি অন্য কাউকে দিয়ে চাষ করান। ভাড়া করা মজুর বা কাজের লোক কে ফসল বা অর্থের বিনিময়ে চাষ করালে সেটি নিজ চাষ বলে গণ্য হবে না।



ঘ) মালিক নিজেই ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে জমি নিজের চাষে আনতে চান। তবে জমি মালিকের নিজ চাষে আনার ফলে যদি বর্গাদারের মোট চাষের জমির পরিমাণ ১ হেক্টরের* নীচে নেমে যায় বা মালিকের মোট চাষের জমির পরিমাণ ৩ হেক্টরের বেশি হয়ে যায় তবে আবেদন গ্রাহ্য হবে না।

  ১৭(২) ধারা:

মালিক বর্গাদারের কাছ থেকে জমি ফিরিয়ে আনার দুবছরের মধ্যে যদি নিজে চাষ করেন বা অন্যকে দিয়ে চাষ করান তাহলে ওই জমি খাস বলে ঘোষিত হবে।

  ১৭(৪) ধারা:

মনে রাখবেন একজন বর্গাদারের জমি,  নিজ জমিসহ ৪(চার) হেক্টরের বেশি হবে না।

  ১৭(৫) ধারা:

  যদি দেখা যায়, একজন বর্গাদার চার হেক্টরের বেশি জমি চাষ করছেন, তাহলে অতিরিক্ত জমির ফসলের বর্গাদারের অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

  ১৭(৬) ধারা:

 যদি বর্গাদার মালিকের চার হেক্টরের বেশি জমি চাষ করেন, তাহলে মালিক অতিরিক্ত জমিতে পাট্টা পাওয়ার যোগ্য কোন ব্যাক্তিকে ভূমি সংস্কার আইনের ৪৯ ধারায় বর্গাদার নির্বাচিত করতে পারেন।

  ১৮(১) ধারা:

 এই ধারা অনুসারে মালিক ভাগচাষ আধিকারিকের নিকট বর্গা চাষ রদ, ফসলের ভাগ, ফসল খামারে তোলা ইত্যাদির জন্য আবেদন করতে পারেন। ভাগচাষ আধিকারিক উভয় পক্ষের শুনানি ও সরেজমিনে তদন্ত করে, বিষয়টিকে নিষ্পত্তি করবেন। মালিক ও বর্গাদারের কোন পক্ষ ভাগচাষ আধিকারিকের রায় মেনে নিতে না পারলে তিনি মহকুমা শাসকের নিকট অর্থাৎ SDL&LRO অফিসে আবেদন করতে পারে।

  ১৯ ধারা:

  বর্গা সংক্রান্ত সমস্যা আধিকারিক কর্তৃক নিষ্পত্তি হওয়ার পর মালিক ও বর্গাদারের কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে, তিনি এই ধারা মূলে এক মাসের মধ্যে মোকদ্দমা করতে পারেন। যদি তিনি মোকদ্দমা করতে এক মাসেরও বেশি দেরী করেন, তাহলে আপিল কর্তৃপক্ষ তামাদি আইনের ৫ ধারার মাধ্যমে বিলম্বের বিষয়টিকে মকুব করতে পারেন।

  ১৯(ক) ধারা:

   কোন ব্যাক্তি যদি ১৭, ১৮, ১৯ ধারায় ভাগচাষ আধিকারিকের দেওয়া আদেশ প্রতিপালন করা থেকে বিরত থাকেন অথবা ১৬(৩) ধারা অনুসারে ফসল ভাগ পেয়েও ভাগের প্রাপ্তি স্বীকার করে রসিদ না দেন তবে সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। এতে ব্যাক্তি ৬ মাসের জেল অথবা ৫০০ টাকা জরিমানা হতে পারে।
তবে এটি আদালতের বিচার্য বিষয়, রাজস্ব আধিকারিক এই আদেশ দেবেন না। তবে দপ্তরের আধিকারিকরা এই ধারায় কেশ রুজু করতে পারেন।

    ১৯(খ) ধারা:

  কোন বর্গাদার যদি বলপূর্বক তার মালিকের জমি চাষ থেকে উচ্ছেদ হন এবং বর্গাদার যদি ভাগচাষ আধিকারিকের নিকট কোন দরখাস্ত করেন তাহলে ভাগচাষ আধিকারিক মালিককে পুনরায় বর্গা চাষে ফিরিয়ে আনার আদেশ দেবেন।
        তবে এর মধ্যেই যদি ওই জমিতে মালিক অথবা তার কোন লোক ইতিমধ্যেই চাষ করে ফেলেন, তাহলে জমিতে উৎপন্ন ফসলের  শতকরা ৬০  ভাগ পাবেন পূর্বে উচ্ছেদ হওয়া বর্গাদার আর বাকি ৪০ ভাগ সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে।
       যদি জমিটি চাষহীন অবস্থায় পড়ে থাকে তৎক্ষণাৎ জমিটি পূর্বতন বর্গাকার যেন ফেরত পায় সেই আদেশ দিতে হবে। আর যদি চাষ শুরু হয়ে যায় তাহলে ফসল ফলার পর বর্গা জমি ফেরত পাওয়ার আদেশ কার্যকর হবে।
       আবার জমিটি যদি মালিক কর্তৃক নিযুক্ত অন্য কোন চাষি চাষ করেন তাহলে উৎপন্ন ফসলের শতকরা ৭৫ ভাগ পাবেন পূর্বতন বর্গাদার,  বাকী ২৫ শতাংশ পাবেন চাষি।
    (মনে রাখবেন, উচ্ছেদ হওয়ার দুই বছরের মধ্যে পুনরায় বর্গা চাষ ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে।
     বর্গাদার উচ্ছেদ যদি ১৯৭০ সালের ৪ঠা আগষ্টের আগে হয়ে থাকে তাহলে এই আইন সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।)
         
  ২০(খ) ধারা:

   বর্গাদার স্বেচ্ছায় যদি বর্গাচাষ ত্যাগ করেন। সেক্ষেত্রে জমির মালিক ভাগচাষ আধিকারিকের নিকট নতুন বর্গাদার নিয়োগের জন্য আবেদন করবেন। আর তিনি যদি আবেদন না করেন, তাহলে আধিকারিক যদি অন্যভাবে সংবাদ পান। তাহলে  তিনি পূর্বতন বর্গাদার আর মালিকের শুনানী করে নিশ্চিত হবেন বর্গাদার স্বেচ্ছায় বর্গাচাষ বর্জন করেছেন কি না। যদি আধিকারিক সন্তষ্ট হন তিনি স্বেচ্ছায় বর্গাচাষ ছেড়েছেন তাহলে আধিকারিক নতুন করে কাউকে ওই জমিতে বর্গাদার নিয়োগ করাবেন। এ ব্যাপারে পাট্টা পাওয়ার যোগ্য এমন ব্যাক্তিদের মধ্যে কাউকে বর্গাদার হিসাবে নিয়োগ করাবেন।

  বর্গা চাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা এখানেই শেষ হলো। এরপরেও কোন ব্যাক্তির কোন প্রশ্ন থাকলে, আমাদের কমেণ্ট বক্সে লিখতে পারবেন। তাছাড়া আমাদের আলোচনার এই প্রসঙ্গ গুলিতে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।

আরও দেখুন:
বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান|||প্রথম পর্বঃ~
https://aamarbhumi.blogspot.in/2018/04/blog-post.html?m=

বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান|| দ্বিতীয় পর্বঃ~
https://aamarbhumi.blogspot.in/2018/04/blog-post_11.html?m=1


বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান|||তৃতীয় পর্বঃ~
https://aamarbhumi.blogspot.in/2018/04/blog-post_12.html?m=1

কিভাবে বাংলারভূমি ওয়েবসাইট মোবাইলেও খোলা যায়?





Thursday, 12 April 2018

বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান|||তৃতীয় পর্বঃ~











এখানে ক্লিক করুন:   বিষয়: বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান||| প্রথম পর্ব:~


                                  পর্ব ৩


বর্গাদার ও মালিকের মধ্যে ফসলের ভাগ-বাঁটোয়ারার পরিমাণ ও কিভাবে বণ্টন হয়?









ভূমি সংস্কার আইনের ধারা ১৬ -তে এই ভাগ বাটোয়ারা সম্পর্কে উল্লেখ আছে:

     ১) বর্গাদার কর্তৃক উৎপন্ন ফসলের বর্গাদার মালিকের ভাগ বণ্টনের অংশের পরিমাণ যদি মালিক চাষের সরঞ্জাম,  সার, বীজ ইত্যাদি সরবরাহ করেন তবে  বর্গাদার ও মালিক উৎপন্ন ফসলের ৫০/৫০ শেয়ার পাবেন। আর যদি সমস্ত খরচ বর্গাদার বহন করেন  তাহলে বর্গাদার পাবেন শতকরা ৭৫ ভাগ ও মালিক পাবেন শতকরা ২৫ ভাগ।

     ২) বর্গাদার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ফসল ঝাড়াইয়ের সাত দিনের মধ্যে মালিকের ভাগ বুঝিয়ে দেবেন।

     ৩) ফসলের ভাগ নেওয়ার সাথে সাথে একে অপরকে ভাগের রসিদ দেবেন। মনে রাখবেন এই রসিদই মালিকের জমিতে বর্গাদার থাকার অন্যতম প্রমাণপত্র।

      ৪) মালিক যদি ফসলের ভাগ নিতে অস্বীকার করেন, তবে বর্গাদার ব্লক ভূমি সংস্কার আধিকারিকের কার্য্যালয়ে, ভাগচাষ আধিকারিকের নিকট তার দেয় ভাগ বুঝিয়ে দেবেন।

      ৫) বর্গাদার ভাগচাষ আধিকারিকের নিকট ফসলের ভাগ জমা দিলে ভাগচাষ আধিকারিক বর্গাদারকে ভাগপ্রাপ্তির রসিদ দেবেন। এবং মালিককে বিষয়টি জ্ঞাত করাবেন।

       ৬) মালিক ভাগচাষ অফিসারের থেকে ভাগ নেওয়ার সংবাদ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তার প্রাপ্য ভাগ নিয়ে না গেলে, ভাগচাষ আধিকারিক ফসল বিক্রি করে তার অর্থমূল্য সরকারি কোষাগারে জমা দেবেন।
     
        ৭) বর্গাদার এবং মালিক আলোচনা করে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফসল তুলবেন। যদি মতানৈক্য না হয় হয় তবে বর্গাদারের পছন্দ মতো জায়গায় ফসল তুলবে। এব্যাপারে বর্গাদার মালিককে সময়মতো কোথায় ফসল তোলা হচ্ছে সেটি জানিয়ে দেবেন।

(আরো বেশি তথ্য পেতে আমাদের পেজ গুলিকে ফলো করুন)


এখানে ক্লিক করুন:  বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান|||দ্বিতীয় পর্বঃ~

বর্গাচাষ কিভাবে রদ করা যায়?

কিভাবে বাংলারভূমি ওয়েবসাইট মোবাইলেও খোলা যায়?

Wednesday, 11 April 2018

বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান|| দ্বিতীয় পর্বঃ~

                                  পর্ব ২

বর্গাদার মারা গেলে তার উত্তরাধিকারী কিভাবে মনোনয়ন করা হয়?

আজকের পর্বে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে মৃত ব্যাক্তির উত্তরাধিকারী মনোনয়ন করা হয়।
    বর্গাদার মারা গেলে এবং তার একাধিক উত্তরাধিকারী থাকলে যে কোন উত্তরাধিকারী মৃত বর্গাদারের উত্তরাধিকারী হওয়ার জন্য অথবা জমির মালিক রাজস্ব আধিকারিকের নিকট উত্তরাধিকারী নির্বাচিত করার জন্য আইনের ১৫(ক) ধারায় আবেদন করতে পারেন।

 আবেদন বর্গাদার মারা যাওয়ার এক মাসের মধ্যে করতে হবে। সাধারণতঃ যারা বর্গাদার অল্প শিক্ষিত বা তারা সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ। আইন সম্পর্কে অনভিজ্ঞ। ফলে সময় মতো আবেদন করতে পারেন না। সে কারণে তারা দেরিতে আবেদন করলেও বিষয়টি সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করে তামাদি আইনের(Limitation Act)-এর ৫ ধারায় বিলম্বের বিষয়টিকে মকুব করে শুনানি করা বাঞ্ছনীয়।

 উত্তরাধিকারের মধ্যে একাধিক দাবিদার থাকলে রাজস্ব আধিকারিককে নিজের বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে, সরেজমিনে তদন্ত করে বিষয়টিকে নিষ্পত্তি করতে হবে।

 বর্গাদারের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে রাজস্ব আধিকারিককে ঐ গ্রামের ভূমি সংস্কার আইনের ৪৯ ধারায় পাট্টা পাওয়ার যোগ্য ব্যাক্তিদের মধ্য থেকে কাউকে বর্গাদার নির্বাচন করতে হবে। তবে যদি দেখা যায় মৃত বর্গাদারের কোন উত্তরাধিকার-ই চাষ করার অবস্থায় নেই অথবা মৃত বর্গাদারের উত্তরাধিকাররা এবং ভূমি সংস্কার আইনের ১৮(১) ধারায় নির্বাচিত ভাগচাষ আধিকারিক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কে বর্গা চাষ করবেন সেই সিদ্ধান্তে আসতে ব্যার্থ হন অথবা মৃত বর্গাদারের যে উত্তরাধিকারীকে বর্গাদার হিসাবে মনোনীত করা হয়েছে সে জমি সময়মতন চাষে আনতে না পারেন, তবে জমির মালিক নিজেই কোন ব্যাক্তিকে জমি চাষ করার জন্য মনোনীত করতে পারেন।  সে ব্যাক্তি পূর্বতন ব্যাক্তিদের উত্তরাধিকারী হতেও পারেন অথবা নাও হতে পারেন।


এখানে ক্লিক করুন:   বিষয়: বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান||| প্রথম পর্ব:~

এখানে ক্লিক করুন:  বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান|||তৃতীয় পর্বঃ~

  এখানে ক্লিক করুন: বর্গাচাষ কিভাবে রদ করা যায়?

কিভাবে বাংলারভূমি ওয়েবসাইট মোবাইলেও খোলা যায়?

( আরো বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য অবশ্যই কমেণ্ট করুন)

Tuesday, 10 April 2018

বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান|||প্রথম পর্বঃ~

 
                                             পর্ব ১

বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত আলোচনার পূর্বে প্রথম আমাদের জানা উচিত বর্গাদার বলতে কাদের বোঝায়?

বর্তমান ভূমি সংস্কার আইনের ২(২) ধারায় বলা আছে

"Bargadar means a person who under the system generally known as adhi, barga or bhag cultivates the land of another person on condition of delivering a share of the produce of such land to that person who under the system generally known as kisani or by any other description cultivates the land of another person on condition of receiving a share of the produce of such land from that person, but does not include a person who is related the owner of the land as---"
  
 (সংক্ষেপে: বর্গাদার তার মালিককে একটা নির্দিষ্ট অংশ প্রদানের বিনিময়ে মালিকের জমিতে চাষ করেন। মালিকের সঙ্গে নিম্নলিখিত ভাবে সম্পর্কিত ব্যাক্তিরা মালিকের জমিতে বর্গাদার হতে পারেন না।)
   
a) Wife (স্ত্রী), or
b) Husband(স্বামী), or
c) Child(পুত্র বা কন্যা), or
d) Granchild(নাতি/নাতনি), or
e) Parent(পিতা বা মাতা), or
f) Grandparent(দাদু/দিদা), or
g) Brother(ভাই), or
h) Sister(বোন), or
i) Brother's son(ভাইয়ের পুত্র) or brother's daughter(ভাইয়ের কন্যা), or
j) Sister's son(বোনের পুত্র) or sister's daughter(বোনের কন্যা), or
k) Daughter's husband(কন্যার স্বামী), or
l) Son's wife(পুত্রের স্ত্রী),
m) Wife's brother(স্ত্রীর ভ্রাতা) or wife's sister(স্ত্রীর বোন), or
ma) Husband's Brother(স্বামীর ভ্রাতা), or
n) Brother's wife(ভাইয়ের স্ত্রী)
     
মনে রাখা প্রয়োজন:

১) বর্গা চাষের অধিকার বংশানুক্রমিক তবে হস্তান্তরযোগ্য নয়। যে জমিতে বর্গা আছে সেই জমি বিক্রয় হলেও সেই জমি থেকেও বর্গার উৎখাত হবে না।
2) তফশিল উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষের জমিতে তফশিলী উপজাতি সম্প্রদায় ব্যাতীত মানুষের বর্গা দাবি অগ্রাহ্য নয়।


দ্বিতীয় পর্বের জন্য এখানে ক্লিক করুন:
এখানে ক্লিক করুন:  বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান|||তৃতীয় পর্বঃ~

বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান||| চতুর্থ বা শেষ পর্বঃ ~
https://aamarbhumi.blogspot.in/2018/04/blog-post_25.html?m=1

কিভাবে বাংলারভূমি ওয়েবসাইট মোবাইলেও খোলা যায়?

(আরো বেশি তথ্য জানতে পরবর্তী পর্ব গুলিকে লক্ষ্য রাখুন। পেজটিকে লাইক করুন, আপনার কোন প্রশ্ন থাকলেও করতে পারেন)