এখানে ক্লিক করুন: বিষয়: বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান||| প্রথম পর্ব:~
পর্ব ৩
বর্গাদার ও মালিকের মধ্যে ফসলের ভাগ-বাঁটোয়ারার পরিমাণ ও কিভাবে বণ্টন হয়?
ভূমি সংস্কার আইনের ধারা ১৬ -তে এই ভাগ বাটোয়ারা সম্পর্কে উল্লেখ আছে:
১) বর্গাদার কর্তৃক উৎপন্ন ফসলের বর্গাদার মালিকের ভাগ বণ্টনের অংশের পরিমাণ যদি মালিক চাষের সরঞ্জাম, সার, বীজ ইত্যাদি সরবরাহ করেন তবে বর্গাদার ও মালিক উৎপন্ন ফসলের ৫০/৫০ শেয়ার পাবেন। আর যদি সমস্ত খরচ বর্গাদার বহন করেন তাহলে বর্গাদার পাবেন শতকরা ৭৫ ভাগ ও মালিক পাবেন শতকরা ২৫ ভাগ।
২) বর্গাদার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ফসল ঝাড়াইয়ের সাত দিনের মধ্যে মালিকের ভাগ বুঝিয়ে দেবেন।
৩) ফসলের ভাগ নেওয়ার সাথে সাথে একে অপরকে ভাগের রসিদ দেবেন। মনে রাখবেন এই রসিদই মালিকের জমিতে বর্গাদার থাকার অন্যতম প্রমাণপত্র।
৪) মালিক যদি ফসলের ভাগ নিতে অস্বীকার করেন, তবে বর্গাদার ব্লক ভূমি সংস্কার আধিকারিকের কার্য্যালয়ে, ভাগচাষ আধিকারিকের নিকট তার দেয় ভাগ বুঝিয়ে দেবেন।
৫) বর্গাদার ভাগচাষ আধিকারিকের নিকট ফসলের ভাগ জমা দিলে ভাগচাষ আধিকারিক বর্গাদারকে ভাগপ্রাপ্তির রসিদ দেবেন। এবং মালিককে বিষয়টি জ্ঞাত করাবেন।
৬) মালিক ভাগচাষ অফিসারের থেকে ভাগ নেওয়ার সংবাদ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তার প্রাপ্য ভাগ নিয়ে না গেলে, ভাগচাষ আধিকারিক ফসল বিক্রি করে তার অর্থমূল্য সরকারি কোষাগারে জমা দেবেন।
৭) বর্গাদার এবং মালিক আলোচনা করে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফসল তুলবেন। যদি মতানৈক্য না হয় হয় তবে বর্গাদারের পছন্দ মতো জায়গায় ফসল তুলবে। এব্যাপারে বর্গাদার মালিককে সময়মতো কোথায় ফসল তোলা হচ্ছে সেটি জানিয়ে দেবেন।
(আরো বেশি তথ্য পেতে আমাদের পেজ গুলিকে ফলো করুন)
(আরো বেশি তথ্য পেতে আমাদের পেজ গুলিকে ফলো করুন)
এখানে ক্লিক করুন: বিষয়ঃ বর্গা ও ভাগচাষ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান|||দ্বিতীয় পর্বঃ~
বর্গাচাষ কিভাবে রদ করা যায়?
কিভাবে বাংলারভূমি ওয়েবসাইট মোবাইলেও খোলা যায়?


No comments:
Post a Comment